অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার পুরো প্রক্রিয়া, আবেদন ফরম সঠিকভাবে পূরণ করার নিয়ম ও প্রয়োজনীয় সতর্কতা, পাশাপাশি জন্ম নিবন্ধনের জন্য যে সব ডকুমেন্টস লাগবে এসব বিষয় ধাপে ধাপে, সহজ ভাষায় এবং বিস্তারিত গাইডলাইনসহ এই পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রয়োজনীয় সব তথ্য নিয়ে আমি আপনাদের পাশে থাকছি।
অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার আগে কিছু ডকুমেন্টস লাগে আবেদন করার সময় । যে শিশুর অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করবেন সেই শিশুর টিকার কার্ড আর যদি শিশু না তাহলে সেই ব্যাক্তির স্কুলের সার্টিফিকেট লাগে যদি তার ১৮ বছর বেশি বয়স হয় তাহলে । আর যদি ছোট শিশু হয় তাহলে টিকার কার্ড বা শিশু যে হসপিটালে জন্ম করেছিল সেই খানকার একটা কাজ বা সনদপত্র । তারপরে বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয় পত্র ও মোবাইল নাম্বার এইগুলো হলে আবেদন করতে পারবেন আর যদি শিশু হয় তাহলে তার বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন লাগবে আর যদি সে ২০০০ সালের আগে জন্ম গ্রহণ করে তাহলে বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন লাগবে না আর শিশু হলে লাগবে । এগুলো কাগজ পত্র থাকলে আপনি আবেদন করতে পারবেন ।
অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে হলে কোন ওয়েবসাইটে যাবেন ।
অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আপনাকে প্রথমে বাংলাদেশ সরকারের নির্ধারিত ওয়েবসাইট
bdris.gov.bd এ প্রবেশ করতে হবে। এই ওয়েবসাইটটি জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংক্রান্ত সকল অনলাইন সেবার মূল প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ঢুকেই পরবর্তী ধাপগুলোর নির্দেশনা পাওয়া যায়। তাই জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত যেকোনো অনলাইন কাজের শুরুতেই এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করা প্রয়োজন।
আমরা এই
bdris.gov.bd ওয়েবসাইটে গেলেই হবে না আমরা যখন এই ওয়েবসাইটে যাব তখন সময় কিছু থাকবে না শুদু কয়েকটা লেখা আর বাটন থাকবে এখান থেকেই আমাদের আবেদন পেজ বা ফরমে যেতে হবে । আমরা প্রথম উপরের থেকে জন্ম নিবন্ধনের লেখার উপরে মাউজ বা চাপ দিলে কিছু লেখা আসবে এখান থেকে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন লেখার উপরে চাপ দিতে হবে তারপরে কি করতে হবে নিচে দেওয়া আছে ।
অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ওয়েবসাইটের প্রথম কাজ ও ফরম পূরণ দেখুন ।
আমরা যখন উপরে দেওয়া নিয়মে অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন পেজ বা ফরমে যাব তখন সময় কিছু আপশন আসবে এখানে লেখা থাকবে যে ”আপনি নিম্নলিখিত কোন ঠিকানায় জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে চান?” এই লেখা থাকবে । আর দুটি অপশন থাকবে এই দুটি থেকে আপনি বেঁচে নিতে হবে একটা এখানে দুটি অপশন এক থাকবে ”জন্মস্থান” আরেকটা থাকবে ”স্থায়ী ঠিকানা” এই দুটি অপশন কিভাবে থাকবে নিচে ছবি দেওয়া হল আর কোনটা বেঁচে নিবেন সেটাও ছবির নিচে দেওয়া আছে ।

আপনি অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের সময় দুটি অপশন পাবেন। অপশন–১ জন্মস্থান (বাম পাশে) এবং অপশন–২ স্থায়ী ঠিকানা (ডান পাশে)। যদি আপনি যে জায়গায় জন্মগ্রহণ করেছেন সেই ইউনিয়ন/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন থেকেই জন্ম নিবন্ধন করতে চান, যেমন গ্রামের বাড়ি বা সরকারি/প্রাইভেট হাসপাতালে জন্ম হয়েছে এবং হাসপাতাল বা জন্মস্থানের ঠিকানা জানা আছে—তাহলে জন্মস্থান অপশনটি সিলেক্ট করুন, যা সাধারণভাবে সবচেয়ে সঠিক ও নিরাপদ এবং অধিকাংশ আবেদনকারীর জন্য উপযুক্ত। অন্যদিকে, যদি জন্মস্থান অন্য জায়গায় হয় বা জানা না থাকে, জন্মস্থান দূরের জেলা হয়, বা জন্মস্থান থেকে আবেদন করা সম্ভব না হয়, তখন স্থায়ী ঠিকানা বাছাই করা যায়, তবে এতে অতিরিক্ত যাচাই বা কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। সহজ সিদ্ধান্ত হিসাবে: জন্মস্থান জানা থাকলে জন্মস্থান সিলেক্ট করুন, জানা না থাকলে বা সম্ভব না হলে স্থায়ী ঠিকানা। মোটামুটি ৯০% মানুষের জন্য জন্মস্থান সিলেক্ট করাই ঠিক। ছবিতে যেভাবে জন্মস্থান ঘিরে দেখানো হয়েছে, সেটাই সঠিক, এরপর ডান পাশে “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করুন।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদনের নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচিতি পেজ বা ফরম পূরণ প্রথম কাজ ।
আমরা যখন উপরের দুটি অপশন থেকে একটা বেঁচে নিবো তারপর পরবর্তী বাটনে চাপ দেওয়ারপর আসবে নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচিতি এই পেজ ফরম এখানে নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচিতি দিতে হবে এটাতে ভুল করলে আপনার জন্ম নিবন্ধনে ভুল হবে তাই সঠিক তথ্য দিয়ে দিবেন । কিভাবে কি থাকবে তা আমি ভালো করে বুৃঝিয়ে দিবো নিচে দেখুন কি থাকবে তার ছবি তারপর আমি ভালো করে বুঝিয়ে দিবো কি করবেন ।

এটি অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যেখানে যে ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করা হচ্ছে তার সম্পূর্ণ পরিচয় ও ঠিকানার তথ্য ধাপে ধাপে দিতে হয়। শুরুতে জন্ম নেওয়া ব্যক্তির নামের প্রথম অংশ ও শেষ অংশ বাংলা এবং ইংরেজি দুই ভাষায় আলাদা করে লিখতে হয়; এখানে বানান যেন এসএসসি সনদ বা ভবিষ্যতে ব্যবহৃত কাগজপত্রের সঙ্গে মিল থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। এরপর জন্ম তারিখ নির্দিষ্ট ঘরে (দিন/মাস/বছর ফরম্যাটে) বসাতে হয়, তারপর লিঙ্গ নির্বাচন করতে হয় এবং পিতা-মাতার কততম সন্তান তা ড্রপডাউন তালিকা থেকে বেছে নিতে হয়। এরপর আসে ঠিকানার অংশ, যেখানে প্রথমে দেশ নির্বাচন করতে হয়, তারপর বিভাগ, জেলা এবং গ্রাম/পাড়া/মহল্লার নাম লিখতে হয়। ঠিকানার তথ্যও বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় আলাদা ঘরে দিতে হয়, যেমন বাসা ও সড়কের নাম বা নম্বর। ফরমে যেসব ঘরের পাশে লাল তারকা (*) চিহ্ন আছে, সেগুলো অবশ্যই পূরণ করা বাধ্যতামূলক, না হলে আবেদন পরের ধাপে যাবে না। সব তথ্য ধীরে ধীরে যাচাই করে সঠিকভাবে পূরণ করার পর নিচের “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করলে আবেদন প্রক্রিয়ার পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাওয়া যাবে।
জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন পিতা-মাতার তথ্য
আমরা যখন নিবন্ধনাধীন ব্যক্তির পরিচিতি সব দিয়ে পরবর্তী বাটনে চাপ দিলে আমাদের সামনে আসবে পিতা-মাতার তথ্য দিতে হবে আমাদের যদি ২০০০ সালের আগে জন্ম হয় তাহলে এখানে পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নাম্বার লাগবে না আর যদি শিশু হয় আর ২০০০ সালের পরে জন্ম হয় তাহলে পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন লাগবে । আর কিভাবে এটা থাকবে আর এটা কিভাবে পূরণ করবেন দেখুন ।

এটি অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ফরমের পিতা ও মাতার তথ্য দেওয়ার অংশ, যা খুব মনোযোগ দিয়ে পূরণ করতে হয়। এখানে বাম পাশে বাবার তথ্য এবং ডান পাশে মায়ের তথ্য আলাদা আলাদা ঘরে দিতে হবে। প্রথমে বাবা ও মায়ের জন্ম নিবন্ধন নম্বর লিখতে হবে (যদি থাকে), এরপর তাঁদের জন্ম তারিখ দিন/মাস/বছর (DD/MM/YYYY) ফরম্যাটে বসাতে হবে। তারপর বাবার ও মায়ের নাম বাংলা ও ইংরেজি দুই ভাষায় সঠিক বানানে লিখতে হবে, যেন জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের সঙ্গে মিল থাকে। এর পরের ঘরে বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিতে হবে এবং সর্বশেষে তাঁদের জাতীয়তা ড্রপডাউন তালিকা থেকে নির্বাচন করতে হবে। সব তথ্য ধীরে ধীরে মিলিয়ে সঠিকভাবে পূরণ করার পর নিচের “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করলে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন পরবর্তী ধাপে এগিয়ে যাবে । তবে আরেকটা কথা বলে রাখি যে যদি আপনার শিশুর হয় তাহলে শিশুর পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধনের নাম্বার ও জন্ম তারিখ দিলেই নাম ঠিকানা চলে আসবে লিখা লাগবে না । এইভাবে একে একে পূর করবেন । তারপরে কি আসবে তা নিচে দেখুন ।
জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন ঠিকানার তথ্য
আমরা পরবর্তী বাটনে চাপ দিলে আসবে আবার যে ঠিকান একই কিনা তা চাইবে । এখানে বেশি কজ করতে হয় না তবে এখানে একটা ভালো করে দেখতে হয় নাহলে আপনার ঠিকানায় ঝামেলা হতে পারে । কিভাবে কি করবে তা দেখুন ।

এখানে মূলত দুই ধরনের ঠিকানা দিতে হয়। স্থায়ী ঠিকানা এবং বর্তমান ঠিকানা। প্রথম অংশে একটি অপশন আছে, যদি স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা একই হয় তাহলে টিক দিলে নিচের অংশ অটোভাবে একই ধরা হয়। স্থায়ী ঠিকানার ক্ষেত্রে দেশ (বাংলাদেশ), বিভাগ, জেলা, উপজেলা/থানা, গ্রাম/পাড়া/মহল্লা এবং বাসা ও সড়কের নাম/নম্বর আলাদা আলাদা ঘরে দিতে হয়। ডান পাশের ঘরগুলোতে একই তথ্য ইংরেজিতে লিখতে হয়, যা বাধ্যতামূলক। এরপর নিচে বর্তমান ঠিকানার অংশ আছে, যেখানে একইভাবে বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষাতেই ঠিকানা পূরণ করতে হয়। সব তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করার পর নিচের “পরবর্তী” বাটনে ক্লিক করে পরের ধাপে যেতে হয়।
জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদনের আবেদনকারীর প্রত্যয়ন
এরপরে আমাদের আসবে জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদনের আবেদনকারীর প্রত্যয়ন চাইবে এটা কিভাবে করবেন ও এটা কিভাবে থাকবে সব দেখানো হবে আপনাদের নিচে ছবি দেওয়া হল যাতে আপনার বুঝতে পারেন ।

এই ছবিটিতে জন্ম নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় যে আবেদনকারীর প্রত্যয়ন বা তথ্য যাচাইয়ের ধাপ আসে, সেটি দেখানো হয়েছে। এই ধাপে মূলত বোঝানো হয় কে আবেদনটি করছেন এবং যার জন্ম নিবন্ধন করা হচ্ছে তার সঙ্গে আবেদনকারীর সম্পর্ক কী। যদি যার জন্ম নিবন্ধন করা হচ্ছে তিনি ১৮ বছরের কম বয়সী হন, তাহলে আইন অনুযায়ী বাবা, মা অথবা বৈধ অভিভাবককেই আবেদন করতে হয়—এ বিষয়টি উপরের নির্দেশনায় উল্লেখ আছে। এরপর রেডিও বাটনের মাধ্যমে আবেদনকারীর সম্পর্ক নির্বাচন করতে হয়, যেমন পিতা, মাতা, পিতামহ, পিতামহী, মাতামহ, মাতামহী অথবা অভিভাবক। সম্পর্ক নির্বাচন করার পর নিচে আবেদনকারীর জন্ম নিবন্ধন নম্বর, জন্ম তারিখ, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (যদি থাকে) এবং আবেদনকারীর পূর্ণ নাম সঠিকভাবে লিখতে হয়। সব তথ্য পূরণ শেষে একটি ঘোষণার ঘরে টিক দিতে হয়, যেখানে আবেদনকারী নিশ্চিত করেন যে প্রদত্ত সব তথ্য সত্য, সঠিক এবং কোনো ভুল তথ্য দেওয়া হয়নি। সর্বশেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নির্দিষ্ট ফরম্যাটে আপলোড করে আবেদন সংরক্ষণ বা পরবর্তী ধাপে এগিয়ে নেওয়া হয়। এই অংশটি সঠিকভাবে পূরণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানকার তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই আবেদন যাচাই ও অনুমোদন করা হয়।
নতুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আবেদন করার সাবমিট ধাপ
এই সবগুলো দিয়ে যখন আমরা পরের ধাপে আসলে সাবমিট ধাপে চলে আসবো এখন আমরা একটু কাজ করতে হবে । ছবি দিয়ে বুঝানো হয়েছে আর এখানে ভালো করে পড়ে নিবেন নাহলে আপনার জন্ম নিবন্ধনে ভুল হবে ।
এই ছবিটা মূলত অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদনের শেষ ধাপ দেখাচ্ছে। এখানে আবেদনকারীর যোগাযোগের তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। প্রথমে একটি ইমেইল ঠিকানা দেওয়ার অপশন আছে (ইচ্ছাকৃত/ঐচ্ছিক), এরপর মোবাইল নম্বর দিতে হবে। মোবাইল নম্বর অবশ্যই বাংলাদেশের হতে হবে এবং +880 সহ মোট ১১ ডিজিট হতে হবে, না হলে সিস্টেম গ্রহণ করবে না। সঠিক নম্বর দেওয়ার পর “ওটিপি পাঠান” বাটনে ক্লিক করলে ওই নম্বরে একটি OTP (একবার ব্যবহারযোগ্য কোড) যাবে। সেই OTP নির্দিষ্ট ঘরে লিখে “সাবমিট” করলে আবেদনটি চূড়ান্তভাবে জমা হবে। নিচের অংশে দেখা যাচ্ছে, সাবমিট করার আগে আবেদনকারীর নাম, পিতা-মাতার নাম, ঠিকানা ইত্যাদি সব তথ্য একবার ভালো করে যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে, কারণ একবার সাবমিট হয়ে গেলে আর সংশোধনের সুযোগ থাকে না।
নতুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন শেষ হল এখন কি করবেন ।
অনলাইনে জন্ম নিবন্ধনের আবেদন সফলভাবে সাবমিট হলে প্রথমে আবেদন নম্বর বা ট্র্যাকিং নম্বর সংরক্ষণ করতে হবে, কারণ এই নম্বর দিয়েই পরবর্তীতে আবেদনের অবস্থা (Pending/Approved/Rejected) দেখা যাবে। এরপর নির্ধারিত ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশনের কার্যালয়ে অপেক্ষা করতে হবে, তারা অনলাইনে দেওয়া তথ্য ও সংযুক্ত কাগজপত্র যাচাই করবে। সাধারণত আবেদনকারী বা অভিভাবককে জন্মের প্রমাণপত্র (হাসপাতালের ছাড়পত্র বা ডাক্তার সনদ), বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র, এবং প্রয়োজন হলে ঠিকানার প্রমাণসহ সরাসরি অফিসে হাজির হতে বলা হয়। যাচাই সঠিক হলে আবেদন অনুমোদন দেওয়া হবে এবং এরপর অনলাইন থেকেই জন্ম নিবন্ধন সনদ ডাউনলোড বা সংশ্লিষ্ট অফিস থেকে প্রিন্ট করা কপি সংগ্রহ করা যাবে।
আবার দেখুনে:উপরে থেকে আবার দেখতে পারেন কারণ আপনি যদি কোন প্যারায় ভুল করে না পড়ে থাকেন তাহলে পড়তে পারেন ।
Post Disclaimer
এই তথ্যটি কেবল সাধারণ নির্দেশনার জন্য দেওয়া হয়েছে। অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত সঠিক তথ্য ও প্রক্রিয়ার জন্য সরকারি ওয়েবসাইট bdris.gov.bd দেখুন। ব্লগে দেওয়া নির্দেশনা আপনার অবস্থান বা বিশেষ পরিস্থিতির সাথে পুরোপুরি মিলে নাও যেতে পারে।