আজও কি আপনার পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনটা হাতে নিলেই বিরক্তি চলে আসে? অ্যাপ খুলতে দেরি, স্ক্রল করলেই হ্যাং, সামান্য কাজেই ফোন গরম এই সমস্যাগুলো যেন ধীরে ধীরে আমাদের ধৈর্য শেষ করে দেয়। অথচ নতুন ফোন কেনা সবার পক্ষে সম্ভব নয়, আর অনেক সময় দরকারও হয় না। সুখবর হলো, কিছু স্মার্ট সেটিংস ও সঠিক ব্যবহারের কৌশল জানলেই পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকেও পাওয়া যেতে পারে নতুনের মতো মসৃণ পারফরম্যান্স। এই পোস্টে আমরা ধাপে ধাপে এমন কার্যকর উপায়গুলোই দেখাবো, যা আপনার ফোনের ল্যাগ কমিয়ে আবার ব্যবহারযোগ্য করে তুলবে একদম সহজ ভাষায়, কোনো টেকনিক্যাল ঝামেলা ছাড়াই।

চলুন তাহলে দেরি না করে জেনে নেওয়া যাক কীভাবে কিছু কার্যকর সেটিংস পরিবর্তন, অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ মুছে ফেলা এবং সঠিক ব্যবহার অভ্যাসের মাধ্যমে পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমানোর নিয়মগুলো কাজে লাগিয়ে আপনার ফোনকে আবার দ্রুত, স্মুথ ও ঝরঝরে করা যায়। এই গাইডে আপনি জানতে পারবেন অ্যান্ড্রয়েড ফোন স্লো হওয়ার কারণ, পুরনো মোবাইল ফাস্ট করার উপায়, এবং ল্যাগ কমানোর সহজ টিপস যা অনুসরণ করলে নতুন ফোন কেনা ছাড়াই পুরনো ফোন থেকেই পাবেন ভালো পারফরম্যান্স ও স্বস্তিদায়ক ব্যবহার অভিজ্ঞতা।
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমাতে প্রথমে যা করবেন
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ল্যাগ কমাতে হলে সবার আগে কিছু প্রাথমিক ও সহজ কাজ করা খুবই জরুরি। প্রথমে ফোনে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ, পুরনো ছবি–ভিডিও ও ফাইল মুছে স্টোরেজ খালি করতে হবে, কারণ স্টোরেজ বেশি ভরে গেলে ফোন স্বাভাবিকভাবেই ধীর হয়ে যায়। এরপর ব্যাকগ্রাউন্ডে অযথা চলা অ্যাপগুলো বন্ধ রাখা দরকার, যাতে RAM-এর উপর অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। একই সঙ্গে হোমস্ক্রিনে থাকা অতিরিক্ত উইজেট ও লাইভ ওয়ালপেপার সরিয়ে ফোনকে হালকা রাখা উচিত। প্রয়োজন ছাড়া নোটিফিকেশন বন্ধ করা এবং কয়েক দিন পরপর ফোন রিস্টার্ট দেওয়াও পারফরম্যান্স ভালো রাখতে সাহায্য করে। এসব বেসিক কাজ ঠিকভাবে করলে কোনো অ্যাডভান্স সেটিংস ছাড়াই পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ অনেকটাই কমে আসে। আর যদি না ল্যাগ কমে তাহলে নিচের কাজগুলো যে দেখানো হলো সেটা দেখুন তাহলে ল্যাগ থেকে বের হয়ে আসতে পারবেন ।
১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আনইনস্টল করুন
ফোনের ল্যাগ কমানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং সহজ ধাপগুলোর একটি হলো অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো আনইনস্টল করা। পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা অনেক অ্যাপ ইনস্টল করি, অনেক সময় এমন অ্যাপও থাকে যেগুলো ব্যবহার হয় না। এই অতিরিক্ত অ্যাপগুলো RAM এবং স্টোরেজ দুইয়ের উপরই চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে ফোন ধীর হয়ে যায়, অ্যাপ খোলার সময় সময় লাগে এবং মাঝে মাঝে হঠাৎ হ্যাং করার সমস্যাও দেখা দেয়। তাই নিয়মিতভাবে এই অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো সরানো অত্যন্ত জরুরি। শুধু ব্যবহার না করা অ্যাপ নয়, এমন অ্যাপও মুছে ফেলা উচিত যেগুলো খুব কম ব্যবহৃত হয় বা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলার কারণে ফোনকে স্লো করে। এটি স্টোরেজ খালি করার পাশাপাশি RAM-এ জায়গা মুক্ত করে, ফলে ফোনের প্রসেসিং দ্রুত হয়, অ্যাপগুলো মসৃণভাবে চালু হয় এবং সাধারণ দৈনন্দিন ব্যবহারের সময় ল্যাগ অনেকটাই কমে আসে। নিয়মিত এই পরিষ্কার কাজ করলে ফোনের পারফরম্যান্স দীর্ঘ সময় ধরে ভালো থাকে এবং আপনি আগের মতো দ্রুত এবং স্বাচ্ছন্দ্যে ফোন ব্যবহার করতে পারেন।
২. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ বন্ধ রাখুন
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমানোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অ্যাপগুলো বন্ধ রাখা। অনেক সময় আমরা দেখতে পাই, ফোনে অ্যাপগুলো বন্ধ করে দিয়েছি মনে হলেও অনেক অ্যাপ এখনও ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকে, যা RAM-এর জায়গা দখল করে এবং ফোনকে ধীর করে দেয়। এই সমস্যা এড়ানোর জন্য নিয়মিতভাবে Recent Apps থেকে সব অ্যাপ বন্ধ করা উচিত। এছাড়া Settings → Apps → Background restriction সেট করে আপনি নির্দিষ্ট অ্যাপগুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে বাধা দিতে পারেন। এতে ফোনের RAM খালি থাকে, প্রসেসিং দ্রুত হয় এবং অ্যাপগুলো মসৃণভাবে কাজ করে, ফলে ল্যাগ কমে যায় এবং ফোন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করা যায়।
৩. ক্যাশে (Cache) পরিষ্কার করুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমানোর জন্য আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ক্যাশে (Cache) পরিষ্কার করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপগুলো এবং সিস্টেম নানা ধরনের সাময়িক ফাইল তৈরি করে, যা ক্যাশে নামে পরিচিত। এই ক্যাশে ফোনে জমে গেলে স্টোরেজ এবং RAM-এর উপর চাপ পড়ে, ফলে ফোন ধীর হয়ে যায় এবং অ্যাপ খোলার সময় বেশি সময় লাগে। তাই নিয়মিত ক্যাশে ক্লিয়ার করা খুবই জরুরি। আপনি Settings → Storage → Cache Data → Clear এ গিয়ে এটি করতে পারেন। প্রয়োজনে Files বা Phone Manager অ্যাপ ব্যবহার করেও ক্যাশে পরিষ্কার করা যায়। ক্যাশে মুছে ফেলার ফলে ফোনের স্টোরেজ খালি হয়, প্রসেসিং দ্রুত হয় এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের সময় ল্যাগ অনেকটাই কমে আসে।
৪. অ্যানিমেশন বন্ধ বা কমান অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ধীরগতি কমানোর জন্য একটি সহজ কিন্তু কার্যকর উপায় হলো অ্যানিমেশন সীমিত করা। ফোনের স্ক্রিনে উইন্ডো পরিবর্তন, অ্যাপ খোলা বা বন্ধ করার সময় যে ছোট ছোট অ্যানিমেশনগুলো চলে, সেগুলো RAM ও প্রসেসর ব্যবহার করে এবং পুরনো ফোনে ল্যাগ বাড়ায়। এই সমস্যা কমাতে Settings → Developer Options-এ গিয়ে Window animation scale, Transition animation scale এবং Animator duration scale কে 0.5x বা Off করে দেওয়া যায়। এতে অ্যানিমেশন দ্রুত এবং সরল হয়ে যায়, ফোনের প্রতিক্রিয়া দ্রুত হয়, অ্যাপ খোলার সময় সময় কম লাগে এবং দৈনন্দিন ব্যবহার অনেক মসৃণ ও ল্যাগ মুক্ত হয়।
৫. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে লাইভ ওয়ালপেপার ও উইজেট কমান
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের পারফরম্যান্স বাড়াতে হোমস্ক্রিনকে হালকা রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় ব্যবহারকারীরা ফোনকে সুন্দর দেখানোর জন্য লাইভ ওয়ালপেপার ব্যবহার করেন, কিন্তু এগুলো চলতে থাকা অ্যানিমেশন ও ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেসের কারণে RAM-এর অনেক জায়গা নষ্ট করে এবং ফোনকে ধীর করে দেয়। একইভাবে হোমস্ক্রিনে অতিরিক্ত উইজেট রাখা ও RAM খায় এবং ফোনকে ভারী ও ল্যাগপ্রবণ করে তোলে। তাই ল্যাগ কমাতে ভালো হয় সাধারণ বা স্ট্যাটিক ওয়ালপেপার ব্যবহার করা এবং অপ্রয়োজনীয় উইজেট সরিয়ে দেওয়া। এতে ফোনের RAM খালি থাকে, প্রসেসর কম চাপের মধ্যে কাজ করে, অ্যাপ দ্রুত খোলে এবং ব্যবহার অনেক মসৃণ ও ল্যাগ-মুক্ত হয়।
৬. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে নোটিফিকেশন কম রাখুন
ফোনের পারফরম্যান্স ভালো রাখতে নোটিফিকেশনগুলো নিয়ন্ত্রণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যখন সব অ্যাপের নোটিফিকেশন চালু থাকে, তখন ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে ছোট ছোট প্রসেস চলতে থাকে যা RAM ও ব্যাটারির উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং ফোন ধীর হয়ে যায়। তাই প্রয়োজন ছাড়া নোটিফিকেশনগুলো বন্ধ করা উচিত। Settings থেকে অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন Off করলে ফোনের RAM খালি থাকে, ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস কমে যায় এবং অ্যাপগুলো দ্রুত খোলে, ফলে দৈনন্দিন ব্যবহার অনেক মসৃণ ও ল্যাগ-মুক্ত হয়।
৭. পাওয়ার সেভার মোড ব্যবহার করুন
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে এবং ব্যাটারি দীর্ঘ সময় ধরে ভালো রাখতে পাওয়ার সেভার মোড ব্যবহার করা খুবই কার্যকর। এই মোড সক্রিয় করলে ফোন অপ্রয়োজনীয় ব্যাকগ্রাউন্ড প্রসেস ও অ্যাপগুলোর কার্যক্রম সীমিত করে, ফলে RAM ও প্রসেসরের উপর চাপ কমে। Settings → Battery → Power Saver থেকে এই মোড চালু করলে ফোনের পারফরম্যান্স অনেক বেশি স্থিতিশীল হয়, অ্যাপ দ্রুত খোলে এবং ল্যাগ কমে আসে। একই সঙ্গে এটি ব্যাটারিও দীর্ঘ সময় ধরে টিকে থাকে, ফলে পুরনো ফোনও আরও মসৃণ ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা যায়।
৮. অ্যাপ ও সিস্টেম আপডেট রাখুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে
ফোনকে দ্রুত, স্থিতিশীল এবং ল্যাগমুক্ত রাখতে অ্যাপ এবং সিস্টেম আপডেট রাখা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অনেক সময় পুরনো অ্যাপ বা সিস্টেমে ছোট ছোট বাগ থাকে, যা RAM ও প্রসেসরের উপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে এবং ফোনকে ধীর বা অস্থির করে তোলে। Play Store থেকে নিয়মিত অ্যাপ আপডেট করলে এই বাগগুলো ঠিক হয়, নতুন ফিচার আসে এবং অ্যাপগুলো অনেক মসৃণভাবে কাজ করে। সিস্টেম আপডেটও একইভাবে ফোনের পারফরম্যান্স বাড়াতে সাহায্য করে, তবে যদি আপডেটটি ভারী হয় এবং ফোনে স্টোরেজ কম থাকে, তাহলে তা অবিলম্বে করা জরুরি নয়। নিয়মিত ছোট ছোট অ্যাপ আপডেটই পুরনো ফোনকে অনেক স্থিতিশীল ও দ্রুত রাখতে যথেষ্ট, ফলে দৈনন্দিন ব্যবহারে ল্যাগ কমে আসে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা অনেক বেশি মসৃণ হয়।
৯. লাইট অ্যাপ ব্যবহার করুন অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমানোর আরেকটি কার্যকর উপায় হলো লাইট (Lite) অ্যাপ ব্যবহার করা। অনেক বড় অ্যাপ যেমন Facebook, Messenger বা Chrome ফোনের RAM ও স্টোরেজ বেশি ব্যবহার করে, যার কারণে পুরনো ফোন ধীর হয়ে যায়। এই সমস্যা এড়াতে Facebook Lite, Messenger Lite বা হালকা ব্রাউজার যেমন Opera Mini বা Via Browser ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো ফোনে কম জায়গা নেয়, RAM-এর উপর চাপ কমায় এবং ব্যাকগ্রাউন্ডে কম প্রসেস চালায়, ফলে অ্যাপ দ্রুত খোলে এবং দৈনন্দিন ব্যবহার অনেক মসৃণ ও ল্যাগ-মুক্ত হয়। এই ছোট ও হালকা অ্যাপগুলো ব্যবহার করলে পুরনো ফোনও অনেক বেশি কার্যকরভাবে চলতে পারে।
১০. অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমাতে মাঝে মাঝে ফোন রিস্টার্ট দিন
পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের পারফরম্যান্স ভালো রাখতে মাঝে মাঝে ফোন রিস্টার্ট দেওয়া একটি খুবই সহজ কিন্তু কার্যকর উপায়। সাধারণত আমরা ফোন বন্ধ না করে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করি, এতে ব্যাকগ্রাউন্ডে অনেক অপ্রয়োজনীয় প্রসেস চলতে থাকে, যা RAM এবং প্রসেসরের উপর চাপ সৃষ্টি করে এবং ফোনকে ধীর করে দেয়। তাই ৩–৪ দিন পরপর ফোন রিস্টার্ট দিলে RAM ফ্রেশ হয়, ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অপ্রয়োজনীয় প্রসেস বন্ধ হয়ে যায় এবং সিস্টেম নতুন করে কাজ শুরু করে। এর ফলে অ্যাপ দ্রুত খোলে, ফোনের প্রতিক্রিয়া দ্রুত হয় এবং দৈনন্দিন ব্যবহার অনেক বেশি মসৃণ ও ল্যাগ-মুক্ত হয়। নিয়মিত এই ছোট্ট অভ্যাসটি পুরনো ফোনের দীর্ঘস্থায়ী কার্যকারিতা এবং স্থিতিশীল পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে খুবই সহায়ক।
আবার দেখতে পারেন:আপনি যদি মনে করেন যে আপনার কোথাও জানা দরকার তাহলে উপরের লাষ্ট সূচিপত্র দেখতে পারেন।
Post Disclaimer
এই পোস্টে দেওয়া সব টিপস এবং সেটিংস পুরনো অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ল্যাগ কমানোর সাধারণ উপায় হিসেবে প্রদর্শন করা হয়েছে। তবে প্রত্যেক ফোনের মডেল, Android ভার্সন এবং নির্মাতার কাস্টমাইজেশনের কারণে আপনার ফোনে এই সেটিংস বা অপশনগুলো একরকম নাও হতে পারে। কিছু অপশন আপনার ফোনে ভিন্ন নামে বা ভিন্ন স্থানে থাকতে পারে। দয়া করে যেকোনো পরিবর্তন করার আগে সতর্ক থাকুন এবং নিজের দায়িত্বে সেটিংস পরিবর্তন করুন। এই পোস্টে দেওয়া নির্দেশনা শুধুমাত্র তথ্যগত এবং সাধারণ গাইড হিসেবে দেওয়া হয়েছে।